জঙ্গিদের নিশানায় বঙ্গবন্ধুর সমাধি: টুঙ্গিপাড়ায় ঝটিকা অভিযানের মহাপরিকল্পনা
সারাদেশে শয়তানের খোঁজ চলছে, ধরা পড়ল কত!
১০ নভেম্বর আওয়ামীলীগের বিক্ষোভ কর্মসূচী ঘোষনা
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়কদের ‘কিশোর গ্যাং বলল আওয়ামীলীগ
এই আন্দোলন এখন নিরীহ মানুষ হত্যার বিচার ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলন
১০ শতাংশ ভোটার কমাতে সক্ষম হয়েছে বিএনপি
মোহনগঞ্জ এক্সপ্রেস ট্রেনে আগুন: কেঁদে কেঁদে মিজান বললেন, ‘জাতির কাছে বিচার দিতে এসেছি’
এডিসি হারুনের পরিবার বিএনপি-জামায়াত: রাব্বানী
বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচন : সরগরম হয়ে ভারতের গণমাধ্যম
জঙ্গি নাটক সাজিয়ে পশ্চিমা বিশ্ব ও ভারতকে দেখাতে চায় সরকার: মির্জা ফখরুল
ড. মুহম্মদ ইউনুসের সরকার সারাদেশে শয়তানের খোজে “অপারেশন ডেভিল হান্ট” পরিচালনা করছে। ১৯৭১ সালে পাকিস্তান বাহিনী তৎকালীন পূর্বপাকিস্তানে আওয়ামীলীদের অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মী ও স্বাধীনতাকামী মানুষদের গ্রেফতার ও হত্যার জন্য পরিচালনা করেছিল “অপারেশন সার্চ লাইট”। তখন পাকিস্তান সরকারকে সরাসরি সহযোগিতা করেছিল এদেশেরই তাদের দোসর রাজাকার, আল-বদর, আল-শামস নামে বর্তমান জামাত-শিবির। বর্তমানে ইউনুস সরকার নিয়ন্ত্রণ করছে সেই জামাত-শিবির। তাই অপারেশন সার্চ লাইটের আদলে শয়তানের খোঁজে চলছে অপারেশন ডেভিল হান্ট। কারা সেই শয়তান?
ঢাকায় শেখ মুজিবুর রহমানের বাসভবন ৩২ নম্বর ধানমন্ডির বাড়ির সিংহভাগ ভেঙে গুঁড়িয়ে ফেলে একদল জনতা। পরে বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে পড়ে বিক্ষোভের আঁচ। গোটা দেশ জুড়ে আওয়ামী লীগের নেতাদের বাড়িতে হামলা, অগ্নিসংযোগ, ভাঙচুরের অভিযোগ উঠে আসতে থাকে। এরই মধ্যে শুক্রবার রাতে বাংলাদেশের গাজীপুরে পাল্টা হামলার মুখে পড়ে বিক্ষুব্ধ জনতাও। সেখানে হাসিনা সরকারের প্রাক্তন মন্ত্রী মোজাম্মেল হকের বাড়িতে একদল জনতা চড়াও হলে পাল্টা প্রতিরোধ গড়ে ওঠে। স্থানীয় কিছু মানুষ হামলাকারীদের কয়েক জনকে মারধর করেন বলে অভিযোগ। তাতে অন্তত ১৫ জন আহত হন। আহতদের বেশির ভাগই শিক্ষার্থী। তাঁদের মধ্যে পাঁচ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় স্থানান্তর করা হয় ঢাকায়।
গাজীপুরের ঘটনায় শিক্ষার্থীদের উপর হামলার প্রতিবাদে রাস্তায় নামে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতৃত্ব। চলে বিক্ষোভ কর্মসূচি। গাজীপুরে প্রাক্তন মন্ত্রীর বাড়িতে চড়াও হওয়ার অভিযোগটি অবশ্য অস্বীকার করেছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। ‘প্রথম আলো’-র রিপোর্ট অনুযায়ী তাদের দাবি, শিক্ষার্থীরা শুক্রবার রাতে ডাকাতির খবর পেয়ে তা ঠেকাতে গিয়েছিলেন। ওই সময়েই তাঁদের মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে থাকে। এরই মধ্যে শনিবার সন্ধ্যায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের এক সক্রিয় সদস্যকে লক্ষ্য করে গুলি চালানোর অভিযোগ ওঠে। তাতে নতুন করে তপ্ত হয় পরিস্থিতি। শিক্ষার্থীদের উপর হামলার ঘটনায় দায়িত্বে গাফিলতির কথা স্বীকার করে ক্ষমা চান গাজীপুরের পুলিশ কমিশনার। বিক্ষোভ সামলাতে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিককেও দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দিতে হয়।আরও পড়ুন : ১০ নভেম্বর আওয়ামীলীগের বিক্ষোভ কর্মসূচী ঘোষনা আরও পড়ুন : বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়কদের ‘কিশোর গ্যাং বলল আওয়ামীলীগ
গাজীপুরে এই উত্তেজনার আবহেই শনিবার বাংলাদেশ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক থেকে একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। তাতে জানানো হয় ‘ডেভিল হান্ট’ নামে একটি বিশেষ অভিযান শুরু করছে যৌথ বাহিনী। এ বিষয়ে বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, “যারা দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে, তারাই গ্রেফতার হবে।”
গাজীপুরের অশান্তির পর থেকে সেখানে বহু বাড়িতে তালা ঝুলতে দেখা গিয়েছে। ‘প্রথম আলো’র প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রাক্তন মন্ত্রীর বাড়ির আশপাশের ৪০-৫০টি বাড়ির বেশির ভাগই তালাবন্ধ অবস্থায় পড়ে রয়েছে। ডাকাডাকি করেও সাড়া পাওয়া যাচ্ছে না।
বর্তমানে দেশের অবস্থা এমনই যে যারা ডাকাতকে বাধা দিবে তারা শয়তান, যারা বাড়িঘর ভাংচুর, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাটে বাধা দিবে তারা শয়তান। সরকারের পৃষ্টপোষকতায় সকল অপকর্মই চলবে বাধা দিলেই তারা শয়তান। শয়তানের খোজ চলছে জোরে সোরে।
সূত্র: আনন্দবাজার